৪০ দিনের সরকারী প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশিত: ১২:৫০ অপরাহ্ণ, মে ১৪, ২০২০

আব্দুল আলিম, নিজস্ব প্রতিনিধঃ শ্যামনগর উপজেলার ১১নম্বর পদ্মপুকুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে  ৪০ দিনের কাজের মধ্যে ৪০দিনের কাজের টাকা  জনপ্রতি ২০০ টাকা করে ৪০ দিনের মোট ৮০০০/=( আট হাজার)  টাকা  করে বিগত ইংরেজি ০৪/০৫/২০২০ তারিখে   নওয়াবেকী রূপালী ব্যাংক থেকে দেয়া হয়েছে কিন্তু জানা যায় যে ৩০জন কাজের শ্রমিকদের কাছ থেকে জোর পৃবর্ক ১০০০ করে টাকা খরচ বাবদ নিয়েছেন ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি  মোঃ মোকছেদ সানা ও অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  মোঃ কামরুল ইসলাম এ ব্যাপারে ১,২,৩,নং ওয়ার্ডের প্রকল্পের সভাপতি ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল গফুর সাহেবের সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে ২নং ওয়ার্ডের কাজটি   পরিচালনা করেন  মোঃ মোকছেদ সানা তিনি বিগত ০৩/০৫/২০২০ তারিখে  আমার কাছ থেকে কর্মজীবী শ্রমিকদের কাজের কার্ডগুলো নিয়ে গিয়েছিলেন এ ব্যাপারে মোঃ মোকছেদ সানার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং কামরুল ইসলাম ফোন রিসিভ না করায় তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি কিন্তু ২ নং ওয়ার্ডের কিছু সংখ্যা শ্রমিকদের লিখিত ও ভিডিও প্রমাণ আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে যাতে স্পষ্ট প্রমাণ হয় যে মোঃ মোকছেদ  সানা ও  মোঃ কামরুল ইসলাম ৩০জন শ্রমিক এর কাছ থেকে  ১০০০ টাকা করে মোট ৩০হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন এ ব্যাপারে ১১ নম্বর পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের  সভাপতি জনাব এডভোকেট এস এম আতাউর রহমান সাহেবের সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা আমি অত্র ইউনিয়নে ৯টি  ওয়ার্ড মিলে  প্রকল্পের শ্রমিকের লিস্টে নাম আছে ৩৫৫ জনের এদের মধ্যে কত জনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সেটা সঠিক ভাবে তদন্ত করলেই জানা যাবে ইনশাল্লাহ সারা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাস মোকাবেলাই ব্যস্ত এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীরা যখন গরীব অসহায় মানুষদের সাহায্য করছেন ঠিক তখন এই দুই জন আওয়ামী লীগ নেতা গরিবের পেটে লাথি মেরে টাকা আত্মসাৎ করেছেন অতএব এই ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত  স্বরূপ কঠোর ও শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মাননীয় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক  জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল সাহেব  ও শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসক  জনাব আবুজার গিফারী সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।